কয়রার খবর
[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

কয়রায় প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে তরুণীকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


 

শাহরিয়ার কবীর | কয়রা প্রতিনিধি | কয়রার খবর

খুলনার কয়রা উপজেলার সাতহালিয়া গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে এক তরুণীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৬ জুন (শুক্রবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবাদীগণের সাথে সুফিয়া খাতুনের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ ও পূর্বশত্রুতা চলে আসছিল। ঘটনার দিন বিবাদীগণ দেশীয় অস্ত্র, ধারালো দা, লোহার রড, শাবল ও হাতুড়ি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সুফিয়া খাতুনের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। একপর্যায়ে বিবাদী হাফিজুর রহমান শেখ তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে সুফিয়া খাতুনের কন্যা ফাতেমা খাতুনকে (৩২) হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় সজোরে কোপ মারেন। পরবর্তীতে মুক্তা খাতুন লোহার রড দিয়ে ফাতেমার মাথায় পুনরায় আঘাত করেন।

'কয়রার খবর'-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাথায় গুরুতর জখমের ফলে ফাতেমা খাতুনের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং তাকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাথায় ১০টি সেলাই দেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।



এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মোছা. সুফিয়া খাতুন বাদী হয়ে ২৭ জুন কয়রা থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন—একই গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান শেখ, মোছা. মুক্তা খাতুন, মোছা. হাফিজা খাতুন এবং মোছা. মুশলি খাতুন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা 'কয়রার খবর'-কে জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা ক্রমাগত প্রাণনাশের ও লাশ গুম করার হুমকি দিচ্ছে, যার ফলে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) ভারপ্রাপ্ত শাহ-আলম জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সবশেষ খবর সবার আগে পেতে "কয়রার খবর" - এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদেরwww.koyrarkhobor.com ভিজিট করুন।

This theme has been developed by OURISLABD.
×

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন