প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
কয়রায় গুড়িয়াবাড়ী ও বেদকাশীর সংযোগকারী ‘মুজিবরের ব্রিজ’ মরণফাঁদ, যেকোনো মুহূর্তে ধসের আশঙ্কা!
প্রকাশঃ
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ৬ নম্বর কয়রা ইউনিয়নের গুড়িয়াবাড়ী গ্রাম এবং উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের মধ্যকার একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ‘জুনিয়ার মোড় মুজিবরের ব্রিজটি’ এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির আরসিসি পিলার ও রেলিংয়ের ঢালাই খসে পড়ে ভেতরের লোহার রডগুলো পুরোপুরি বেরিয়ে গেছে। ফলে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক আর চরম ঝুঁকি নিয়ে এই নড়বড়ে ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচল করছে দুই এলাকার হাজার হাজার মানুষ।
কয়রার খবর-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গুড়িয়াবাড়ী এবং বেদকাশী অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মেলবন্ধনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এই ব্রিজটি। গুড়িয়াবাড়ী গ্রামের কৃষকেরা প্রতিদিন এই সেতু পার হয়ে বেদকাশী এলাকায় গিয়ে শাকসবজি ও বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করেন। আবার বেদকাশী অঞ্চলের মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজন ও চিকিৎসাসহ জরুরি নানা কাজে কয়রা সদরে আসেন এই পথেই।
বর্তমানে ব্রিজের রেলিং ও পিলারের সিংহভাগ কংক্রিট ধসে পড়ায় কাঠামোর রডগুলো বিপজ্জনকভাবে ঝুলে আছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয় এক ভুক্তভোগী বাসিন্দা কয়রার খবর-কে জানান, "ব্রিজটির যে দশা হয়েছে, তাতে এখনই যদি সংস্কারের ব্যবস্থা না করা হয়, তবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এটি ভেঙে পড়বে। তখন দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগ তো বন্ধ হবেই, সাথে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া থমকে গিয়ে এলাকায় একটা হাহাকার তৈরি হবে।"
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর কিছু অংশ টিকে থাকলেও তার স্থায়িত্ব এখন তলানিতে। এখনই বালু, সিমেন্ট ও রড দিয়ে এটি মেরামত করা হলে পুনরায় সচল করা সম্ভব। অন্যথায় পুরো ব্রিজটি ভেঙে পড়লে নতুন করে নির্মাণ করতে সরকারের যেমন বিশাল আর্থিক ক্ষতি হবে, তেমনি স্থানীয়দের পোহাতে হবে দীর্ঘমেয়াদী দুর্ভোগ।
জরুরি ভিত্তিতে টিআর, কাবিখা বা বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে বাজেট বরাদ্দ করে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতুটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দুই ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ।
সবশেষ খবর সবার আগে পেতে "কয়রার খবর" - এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের koyrarkhobor.com ভিজিট করুন।

Post a Comment