তারিক লিটু | কয়রা প্রতিনিধি | কয়রার খবর
খুলনার কয়রায় জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে রাবেয়া বেগম নামে এক নারীকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। হামলার একপর্যায়ে কান থেকে সোনার দুল ছিনিয়ে নেওয়ায় তাঁর কান দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে বলে ভুক্তভোগী দাবি করেছেন। বর্তমানে ওই নারীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের ভান্ডারপোল গ্রামের রুহুল আমিন সরদারের পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার হোসেন আলী সানার জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত সোমবার দুপুরে ইদ্রিস আলী সরদারের স্ত্রী রাবেয়া বেগমের ওপর প্রতিপক্ষরা অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। পরে স্থানীয় ও প্রতিবেশীরা সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাবেয়া বেগমের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মঙ্গলবার তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
হামলার বিষয়ে ভুক্তভোগী রাবেয়া বেগম কয়রার খবর-কে জানান, "মারধরের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকেরা আমার কান থেকে জোরপূর্বক সোনার দুল ছিড়ে নেয়। এতে আমার কান দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় এবং আমি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ি।"
তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে হোসেন আলী সানা কয়রার খবর-কে বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাঃ রেজাউল করিম কয়রার খবর-কে জানান, আহত নারীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল আলম কয়রার খবর-কে বলেন, "এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" সবশেষ খবর সবার আগে পেতে "কয়রার খবর" - এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের koyrarkhobor.com ভিজিট করুন।
