শিরোনাম ::
লোড হচ্ছে...

কয়রায় ইউরিয়া ও টিএসপি সারের তীব্র সংকট: আমন চাষ নিয়ে দিশেহারা উপকূলের কৃষক


 কয়রা প্রতিনিধি | কয়রার খবর

কয়রা (খুলনা): উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় আমন ধানের ভরা মৌসুমে দেখা দিয়েছে ইউরিয়া ও টিএসপি সারের তীব্র সংকট। চারা রোপণের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাজারে প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। চাহিদা অনুযায়ী সার না মেলায় চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।

কয়রা বাজার, ফুলতলা, নারানপুর, ভান্ডারপোল, গিলাবাড়ি ও আমাদী বাজারসহ বিভিন্ন স্থানীয় হাট-বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সারের জন্য এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কৃষকদের। সুযোগ বুঝে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। কয়রার খবর-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাজারে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া মিলছে না, আর টিএসপি সারের সংকট রূপ নিয়েছে আরও ভয়াবহ আকারে।

গিলাবাড়ি বাজারে সার কিনতে আসা খান সাহেব কোমরউদ্দীন ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও স্থানীয় কৃষক আশরাফুল আলম কয়রার খবর-কে বলেন, "গত তিন দিন ধরে ইউনিয়নের ডিলার ও সাব-ডিলারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে হয়রান হতে হচ্ছে। ১০ থেকে ১৫ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়ে মাত্র ১০-২০ কেজি সার দেওয়া হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। এভাবে চললে ফসল বাঁচানো সম্ভব নয়।"

তবে মাঠের চিত্র ভিন্ন হলেও এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তিলক ঘোষ কয়রার খবর-কে জানান, তিনি গিলাবাড়ি বাজার সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির কোনো সত্যতা পাননি।

সার সংকট ও কালোবাজারি বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা। তা না হলে উপকূলীয় এই অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সবশেষ খবর সবার আগে পেতে "কয়রার খবর" - এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের koyrarkhobor.com ভিজিট করুন।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00

সর্বশেষ

×