কয়রার খবর
[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

কয়রায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি সদস্য মনোনয়নে বিতর্ক, ৫৭ অভিভাবকের লিখিত অভিযোগ

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


মুশফিকুর রহমান | কয়রা প্রতিনিধি | কয়রার খবর

খুলনার কয়রা উপজেলার দেয়াড়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ক্যাটাগরির সদস্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধিমালা উপেক্ষা করে নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে সদস্য করার অপচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে ৫৭ জন অভিভাবক সশরীরে উপস্থিত হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কয়রার খবর-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাসুদ কামাল একটি "পকেট কমিটি" গঠনের উদ্দেশ্যে আবুল বাসার নামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে প্রতিনিধি করার সুপারিশ পাঠিয়েছেন। কিন্তু উক্ত শিক্ষক অবসর গ্রহণের পর থেকে পরিবারসহ খুলনা শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার মধ্যে নিয়মিত বসবাসকারী আরেকজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সদস্য হতে আগ্রহ প্রকাশ করলেও তাকে সুকৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারী অভিভাবকরা কয়রার খবর-কে জানান, বিদ্যালয়ের সার্বিক তদারকি, শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা এবং অভিভাবক সমাজের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের স্বার্থে এলাকার ভেতরে বসবাসকারী একজন স্থায়ী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককেই এসএমসির সদস্য পদে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এর আগে গত ২০ জুলাই মুহাম্মাদ আবুল বাসার নামের অপর এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকও একই বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আলাদা লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তিনি কয়রার খবর-কে বলেন, "প্রধান শিক্ষক শুরু থেকেই অনিয়ম করে চলেছেন। তিনি নীতিমালার নির্দেশনা ও অধিকাংশের মতামত উপেক্ষা করে খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।"

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাসুদ কামাল কয়রার খবর-কে বলেন, "রিটার্নিং কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে আবুল বাসারের নাম বিবেচনা করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তিনজনকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও ঐকমত্য না হওয়ায় নিয়ম মেনেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছে।"

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মৃন্ময় কুমার মণ্ডল কয়রার খবর-কে জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার কর্মকার এবং খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলম জানান, নীতিমালায় কিছু বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনার ঘাটতি থাকায় বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ঐকমত্য না হলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে শিক্ষা বিভাগ।

সবশেষ খবর সবার আগে পেতে "কয়রার খবর" - এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের koyrarkhobor.com ভিজিট করুন।

This theme has been developed by OURISLABD.
×

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন